টাকা নয়, শুধু ব্রেইনের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যারা সফল
দারিদ্রতা আমাদের স্বভাব, অভাব নয়
নিউরো সাইন্টিস্টরা বলেন মানব মস্তিষ্ক একটি সর্বাধুনিক কম্পিউটারের চেয়ে ১০ লক্ষ গুন ক্ষমতা সম্পূর্ণ।
হিসাব করলে দেখা যায় যে, একটি কম্পিউটারের দাম যদি ৫০ হাজার টাকা হয় তাহলে ৫০হাজার দিয়ে ১০ লক্ষকে গুনন দিলে = ৫ হাজার কোটি টাকা দাঁড়ায়।
সুতরাং একজন মানুষের মস্তিষ্কের দাম ৫ হাজার কোটি টাকা। আমরা সব সময় ৫ হাজার কোটি মূল্যের সম্পদ ঘাড়ের উপর বয়ে বেড়াই।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এত মূল্যবান সম্পদ দান করার পরও যদি আমি /আপনি/ আমরা গরিব থাকি তাহলে বুঝতে হবে ওটা আমাদের স্বভাব, অভাব নয়।
অাজ বিশ্ব অর্থনীতিতে জাপান শক্তিশালী। তারা এত কাজ করেন যে, অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারনে প্রতিবছর তাদের ১০ হাজার লোক মারা যায়।
আর বাংলাদেশে অলসতার কারনে প্রতিবছর লক্ষ লোক মারা যায়।
পৃথিবীতে কাজ করে যারা সফল হয়েছে তারা তাদের ব্রেইনের মাত্র ১০-১৫ শতাংশ খরচ করেছে। আর যারা ব্যার্থ তারা তাদের ব্রেইনের ৪-৫ ভাগ খরচ করে চলে। ব্যার্থ আর সফল ব্যাক্তির মাঝে ব্যাবধান হচ্ছে মাত্র ৬ থেকে ১০ ভাগ।
ব্রেইনের ক্ষমতাকে ব্যাবহার করে যারা জগত বিখ্যাত হয়েছেন তাদের একজন বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। যিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও তার মেধাকে কাজে লাগিয়ে সারা পৃথিবী জয় করেছেন। স্টিফেন হকিং লিখতে পারতেননা কথা বলতে পারতেন না, তিনি দুরারোগ্য মোটর নিউরোণ ব্যাধিতে ক্রমান্বয়ে নিঃশেষ হতে হতে বিশেষ ভাবে তৈরি কম্পিউটারে মাধ্যমে রচনা করেছেন বর্তমান বিজ্ঞান জগতের আলোড়ন সৃষ্টি কারী গ্রন্থ "এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম"।
গ্রন্থটি বের হওয়ার পর বেস্ট সেলারের আখ্যা পেয়েছিল। এটি বের হওয়ার পর ৩০ লাখ কপি বিক্রি হয়েছে।
মাইক্রোসফটের জনক বিলগেটস, ইন্টারনেটের জনক ভিন্টন জি কফ,ফেসবুকের জনক মার্ক জাকারবার্গ, অ্যাপেলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস, আলীবাবা কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা। তারা সকলেই ঘাড়ের উপর বয়ে বেড়ানো মস্তিষ্ককের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আজ বিশ্বসেরা ধনী ও খ্যাতিমান হয়েছেন।
আলীবাবা ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা পৃথিবীর অন্যতম বড় অনলাইনভিত্তিক কোম্পানি আলিবাবা ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসেবে জ্যাক মা পৃথিবীর ৩৩ তম শীর্ষ ধনী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ২১.৬ বিলিয়ন ডলার। পৃথিবীজুড়ে মানুষ তাকে চেনে তার অটল সংকল্পের কারণে। বারবার ব্যর্থতা আর প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি, অসম্ভব সব প্রতিকূলতার মোকাবিলা করে পৌঁছেছেন সাফল্যের শিখরে।
আমাদেরকে মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষ বানিয়ে দুনিয়ায় প্রতিনিধি হিসাবে পাঠিয়েছেন। এই প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যা দরকার তার সব কিছু এই মাথার ভীতর দিয়েছেন। শুধু এর সঠিক ব্যাবহারের ক্ষমতা বাড়ালে দারিদ্রতা থাকবেনা, সফলতা আসবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হউন আমিন।
লেখক - এন এ মুরাদ
নিউরো সাইন্টিস্টরা বলেন মানব মস্তিষ্ক একটি সর্বাধুনিক কম্পিউটারের চেয়ে ১০ লক্ষ গুন ক্ষমতা সম্পূর্ণ।
হিসাব করলে দেখা যায় যে, একটি কম্পিউটারের দাম যদি ৫০ হাজার টাকা হয় তাহলে ৫০হাজার দিয়ে ১০ লক্ষকে গুনন দিলে = ৫ হাজার কোটি টাকা দাঁড়ায়।
সুতরাং একজন মানুষের মস্তিষ্কের দাম ৫ হাজার কোটি টাকা। আমরা সব সময় ৫ হাজার কোটি মূল্যের সম্পদ ঘাড়ের উপর বয়ে বেড়াই।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এত মূল্যবান সম্পদ দান করার পরও যদি আমি /আপনি/ আমরা গরিব থাকি তাহলে বুঝতে হবে ওটা আমাদের স্বভাব, অভাব নয়।
অাজ বিশ্ব অর্থনীতিতে জাপান শক্তিশালী। তারা এত কাজ করেন যে, অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারনে প্রতিবছর তাদের ১০ হাজার লোক মারা যায়।
আর বাংলাদেশে অলসতার কারনে প্রতিবছর লক্ষ লোক মারা যায়।
পৃথিবীতে কাজ করে যারা সফল হয়েছে তারা তাদের ব্রেইনের মাত্র ১০-১৫ শতাংশ খরচ করেছে। আর যারা ব্যার্থ তারা তাদের ব্রেইনের ৪-৫ ভাগ খরচ করে চলে। ব্যার্থ আর সফল ব্যাক্তির মাঝে ব্যাবধান হচ্ছে মাত্র ৬ থেকে ১০ ভাগ।
ব্রেইনের ক্ষমতাকে ব্যাবহার করে যারা জগত বিখ্যাত হয়েছেন তাদের একজন বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। যিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও তার মেধাকে কাজে লাগিয়ে সারা পৃথিবী জয় করেছেন। স্টিফেন হকিং লিখতে পারতেননা কথা বলতে পারতেন না, তিনি দুরারোগ্য মোটর নিউরোণ ব্যাধিতে ক্রমান্বয়ে নিঃশেষ হতে হতে বিশেষ ভাবে তৈরি কম্পিউটারে মাধ্যমে রচনা করেছেন বর্তমান বিজ্ঞান জগতের আলোড়ন সৃষ্টি কারী গ্রন্থ "এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম"।
গ্রন্থটি বের হওয়ার পর বেস্ট সেলারের আখ্যা পেয়েছিল। এটি বের হওয়ার পর ৩০ লাখ কপি বিক্রি হয়েছে।
মাইক্রোসফটের জনক বিলগেটস, ইন্টারনেটের জনক ভিন্টন জি কফ,ফেসবুকের জনক মার্ক জাকারবার্গ, অ্যাপেলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস, আলীবাবা কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা। তারা সকলেই ঘাড়ের উপর বয়ে বেড়ানো মস্তিষ্ককের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আজ বিশ্বসেরা ধনী ও খ্যাতিমান হয়েছেন।
আলীবাবা ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা পৃথিবীর অন্যতম বড় অনলাইনভিত্তিক কোম্পানি আলিবাবা ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসেবে জ্যাক মা পৃথিবীর ৩৩ তম শীর্ষ ধনী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ২১.৬ বিলিয়ন ডলার। পৃথিবীজুড়ে মানুষ তাকে চেনে তার অটল সংকল্পের কারণে। বারবার ব্যর্থতা আর প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি, অসম্ভব সব প্রতিকূলতার মোকাবিলা করে পৌঁছেছেন সাফল্যের শিখরে।
আমাদেরকে মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষ বানিয়ে দুনিয়ায় প্রতিনিধি হিসাবে পাঠিয়েছেন। এই প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যা দরকার তার সব কিছু এই মাথার ভীতর দিয়েছেন। শুধু এর সঠিক ব্যাবহারের ক্ষমতা বাড়ালে দারিদ্রতা থাকবেনা, সফলতা আসবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হউন আমিন।
লেখক - এন এ মুরাদ

No comments